মুর্শিদাবাদের পর্যটন ক্ষেত্রে মন্দা বাজার
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাসে মুর্শিদাবাদ জেলার আলাদা একটা গুরুত্ব রয়েছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে ইতিহাসের নানাবিধ নিদর্শন। বাংলার ইতিহাস ও ভ্রমণ মানচিত্রে আজও মুর্শিদাবাদ জেলার কদর রয়েছে। নবাব মুর্শিদকুলি খান,আলিবর্দি খান,নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার রাজত্বকাল সহ ইতিহাসের নানা কাহিনী এত কাল বাদেও পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। সেই ইতিহাসকে জীবন্ত করে তুলে ধরেন টুরিস্ট গাইডরা।
স্থানীয় সূত্রের খবর,করোনা পরিস্থিতি আসার পূর্বে পর্যটনশিল্পে জোয়ার ছিল মুর্শিদাবাদে। করোনাকালে বদলে গিয়েছে এখানকার পর্যটন ক্ষেত্র । দীর্ঘ ২ বছরের বিধি-নিষেধ ও সংক্রমণের আবহে জেলার হাজারদুয়ারী,ইমামবাড়া সহ বিভিন্ন পর্যটন ক্ষেত্রে কর্মহীন হয়েছেন অনেক টুরিস্ট গাইড। কোভিড মহামারীর পর জীবন ক্রমশ স্বাভাবিক হলেও ধাক্কা খাচ্ছে মুর্শিদাবাদের পর্যটন ক্ষেত্র ।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, গাইড পেশার সাথে যুক্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অনেক কর্মী রুটি-রুজি হারিয়েছেন। মুর্শিদাবাদ জেলায় পর্যটন শিল্পে জোয়ার থাকে বছরে বেশ কয়েকটি মাস। মাত্র তিন মাসের মতো রমরমিয়ে চলে এই ভ্ৰমণ ক্ষেত্র। বাকি মাসগুলিতে ভিন্ন কাজ করে সংসার নির্বাহ করে থাকেন গাইডরা ।
অন্যদিকে এবছর মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ইদ পড়ে যাওয়ায় টান পড়েছে রোজগারে। দৈনিক রোজগার নেমে গিয়েছে তলানিতে। তবে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত থাকা ব্যক্তিরা আশা করছেন ইদ-পর্ব মিটে গেলে ভিড় করবেন পর্যটকরা। এই সময় বাড়বে রোজগার। (ছবি: সংগৃহীত)

